মেনু নির্বাচন করুন

ইউনিয়নের ইতিহাস

কালের স্বাক্ষী বহনকারী মেঘনার তীরে গড়ে ওঠা লক্ষীপুরউপজেলার একটিঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলো দঃ হামছাদীইউনিয়ন ।কাল পরিক্রমায় আজ দঃ হামছাদীইউনিয়ন শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারনিজস্ব স্বকীয়তায়আজও সমুজ্জ্বল।

১৯৬৮ ইং সনে সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম  মীর আব্দুর রব পাটওয়ারী এর তত্তাবধানে এই ইউপি ভবন প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং তিনিই প্রথমবারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

প্রায় ৫.৫ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই ইউনিয়নের আওতা। ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে অর্থাৎ পশ্চিমাঞ্চলে একটি ঐতিহ্যবাহী শাহ খলিলুর রহমানের মাজার নামে একটি ধর্মীয় স্থাপনার পাশ্বে ইউপি ভবন অবস্থিত। সমগ্র এলাকা জুড়ে প্রায় ৪০,০০০ লোকের বসবাস। এই ইউনিয়নটি ১৩ টি গ্রাম, ১০ টি মৌজা নিয়ে গঠিত। বর্তমানে প্রায় ৫ টি হাট বাজার আছে। যাতে চলে ইউনিয়নবাসীর নৃত্যদিনের কেনা-বেচা। ইউনিয়নের সার্বভৌমত্ব, ভৌগলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়। সোনালী ধানের মাঠ, সবুজের সমারোহ, আর পাখির কলকাকলিতে এক মিষ্টি সুভাসে পরিপূর্ন। এই ইউনিয়নের প্রায় ৮৯% মানুষ শিক্ষিত। ২০১২ সালের জে.এস.সি , পি.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, অত্র ইউনিয়নের ১৩ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় , ৩টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি উচ্চ বিদ্যালয় এবং ৩ টি দাখিল ও ফাজিল মাদ্রাসা সহ গড়ে পাশের হার ৯৩%। অত্র ইউনিয়নের অধিকাংশ লোকই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। কেউ ডাক্তার, কেউ সরকারী কর্মচারী, কেউ জেলা প্রশাসক, কেউ ব্যারিস্টার, কেউবা আবার ইঞ্জিনিয়ার, কেউ শিক্ষক ইদ্যাতি। ১৯৬৮ সাল থেকে এই পর্যন্ত ৬ জন চেয়ারম্যান ইউনিয়নে রাজত্ব করেন। বর্তমানে ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্বরত আছেন বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিত্ব জনাব মীর শাহ্ আলম। জনগনের চাহিদা পূরনে সর্বাত্মক সচেষ্ঠ থাকেন। এই ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসাবে রুপান্তরিত করাই তাহার লক্ষ।